বর্তমানে Blogger এ ব্লগিং করে কি সফল হওয়া সম্ভব? একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা


আসসালামুওয়ালাইকুম


সবাই কেমন আছেন ? আবারও ট্রিকবিডি তে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম ।


২০২৪ সালে এসে যারা ব্লগিং করতে চান তাদের মনে হয়তো এই প্রশ্নটা নিশ্চয়ই এসেছে যে, ব্লগারে ব্লগিং করা কি এখনো লাভজনক হবে? সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে একটি ব্লগ সাইট পরিচালনা করার যাবতীয় পদক্ষেপ কি ব্লগারেও নেওয়া সম্ভব? নাকি ওয়ার্ডপ্রেসে শিফট হওয়া উচিত। আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে আজকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করবো।

আমরা মূলত এই ফিল্ডে প্রথমে অনেক বোকা অবস্থায় আসি এবং অনেককিছু বুঝতে পারার পর হাল ছেড়ে দিই। হাজারো ব্লগার ওয়েবসাইট পড়ে আছে যেগুলোতে আর কোনো আর্টিকেল লেখা হয় না, হতাশ হয়ে একসময় ব্যাক্তিটি ছেড়ে গেছে। হয়তো ওয়ার্ডপ্রেসে শিফট হয়েছে নয়তো পুরোপুরি হাল ছেড়ে দিয়েছে। এর কারণ কোনো এক সফল ব্লগারের কথায় সফল হতে অতি আগ্রহ নিয়ে চলে এসেছিল, কিন্তু ঝামেলার কথাগুলো না জানায় অনেকের আজকে এই অবস্থা‌।

আজকে আমি এই ব্যাপারে ক্লিয়ারলি কিছু বলবো, কিছু জটিল বিষয় সম্পর্কে তুলে ধরবো, কষ্ট করে বুঝার চেষ্টা করবেন, আশাকরি উপকৃত হবেন।

ব্লগিং এ সফল হতে শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা আর ব্লগ পোস্ট শেয়ার করার পাশাপাশি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যেগুলো মেইনটেইন করতে হয়। সাধারণত বড় বড় অভিজ্ঞ ব্লগাররা চোখ বন্ধ করে ওয়ার্ডপ্রেসে শিফট হতে বলেন। কারণ কিছু কিছু প্রবলেম আছে যেগুলো ব্লগারে সমাধান করা অনেক ঝামেলাদায়ক।

অন্যদিকে ওয়ার্ডপ্রেসে প্রায় সকল সমস্যা সমাধানের জন্য কোনো না কোনো প্লাগইন অবশ্যই আছে এবং খুব সহজেই সেগুলো ব্যাবহার করে যাবতীয় সমস্যা সমাধান করা যায়। আজকে এরকমই কিছু সমস্যা তুলে ধরবো। এবং ব্লগারে সমাধান করা সম্ভব কি না সে সম্পর্কে বিস্তারিত বলবো।

 

গুগল সাধারণত সার্চ ইঞ্জিনে রেজাল্ট প্রদর্শনের জন্য ওয়েবসাইটটি কোন প্ল্যাটফর্মের উপর তৈরি সেটা নিয়ে কোনো প্রকার বাছ বিচার করে না। তাহলে সমস্যা কোথায়? আর সব ধরণের সার্চ রেজাল্টে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটগুলোরই কেনো এতো অধিপত্য আর কিভাবে সেটা ব্লগারে মোকাবেলা করবেন?

 

প্রথমত, চোখ বন্ধ করে অবশ্যই কাস্টম ডোমেইন ব্যবহার করবেন, এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে চাই না। এক কথায় .blogspot ডোমেইনের Server Response Time বেশী হওয়ায় সাইট লোড হতে বেশি সময় নেয়।এই সার্ভার রেসপন্স টাইম আপনার কাছে গুরুত্বহীন মনে হতে পারে, কিন্তু পরে বুঝবেন ভালোমানের দামী কাস্টম ডোমেইন কি সুবিধা দিতে পারে। দামী বলতে .com বা এর চাইতেও বেটার ব্যাবহার করবেন, এর নিচে না।

দ্বিতীয়ত, হালকা থিম ব্যাবহার করতে হবে: ওয়েবসাইটকে Rank করার ক্ষেত্রে ওয়েবপেজের পারফরম্যান্স কমপক্ষে ৯০% হতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেসে কয়েকটি প্লাগইন ব্যাবহার করে ইন্সট্যান্টলি ওয়েবপেজের পারফরম্যান্স বাড়ানো যায় কিন্তু ব্লগারে আপনাকে এটা ম্যানুয়ালি করতে হবে।

ওয়ার্ডপ্রেসে কিছু জনপ্রিয় লাইটওয়েট থিম পাওয়া যায় যেগুলোর পারফরম্যান্স আর কোর ওয়েব ভাইটাল স্কোর প্রায় ৯৫ থেকে ৯৯% হয়ে থাকে। আর ব্লগারে ৯৯% থিমেরই পারফরম্যান্স অনেক বাজে ৫০% এর নিচে। আমরা বাঙালিরা সাধারণত থিমের কপিরাইট সরাতে ক্র্যাক থিমের চক্করে পড়ি কিন্তু সেগুলোতে থাকা অতিরিক্ত জাভাস্ক্রিপ্ট যে সাইটের পারফরম্যান্স কমিয়ে দেয় সেটা আর দেখি না। এই অবস্থায় ওয়ার্ডপ্রেসের সাইটটি Rank করবে নাতো কি আপনারটা করবে?

এখন এই সমস্যা কিভাবে সমাধান করবেন? Google Page Speed Insight টুল ব্যাবহার করে ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স এবং প্রবলেমগুলি আইডেনন্টিফাই করতে পারবেন। গুগল প্রায় চারটি ক্যাটাগরিতে আপনার ওয়েবসাইটের মান নির্ধারণ করে।

১. পারফরম্যান্স: আপনার ওয়েবপেজের কন্টেন্ট এবং ইমেজগুলোর লোডিং টাইম কেমন তার উপর নির্ভর করে স্কোর দিবে, কোথায় কত মিলিসেকেন্ড সময় ব্যায় হচ্ছে এবং এটা কমানোর জন্য কি করতে হবে সেটাও বলে দিবে। কোনো টেক্সট, ছবির ফরম্যাট, জাভাস্ক্রিপ্ট, ফন্ট, ডিজাইন, থার্ড পার্টি রিসোর্স পেজের লোডিং টাইম নির্ধারণ করে থাকে।

২. এ্যাকসেসিবিলিটি: আপনার ওয়েবসাইটি সব ধরণের ডিভাইসের জন্য রেসপন্সিভ কি না, বিভিন্ন ধরণের ফিচার, টগল, ড্রপডাউন, মেন্যু, বাটন, কালার ঠিকঠাক সাইজের আছে কিনা এবং কার্যকারী কি না সেটার উপর স্কোর দিয়ে থাকে।

৩.বেস্ট প্র্যাকটিস: কোডিং করার কিছু নিয়ম-কানুন আছে। শুধুমাত্র কার্যকরী কোডিং করলেই হয় না সেটাকে সার্চ ইঞ্জিন যাতে পড়তে এবং বুঝতে পারে সেজন্য সঠিক স্ট্রাকচারের মধ্যে থাকতে হবে। এই অবস্থায় আপনার থিমটির HTML, CSS, JavaScript কোডের গঠনগত মানের উপর গুগল স্কোর দিয়ে থাকে। এখন যদি গঠনগত ত্রুটি থেকে থাকে তাহলে আপনি বেস্ট প্র্যাকটিস করছেন না এবং আপনার ওয়েবসাইটটি ইনডেক্স করতে গুগলের প্রবলেম হচ্ছে। এজন্য আপনাকে স্কোর কম দিবে।

৪. এসইও: এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পারফরম্যান্স যতটা না গুরুত্বপূর্ণ এটি তার চাইতে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ার্ডপ্রেসওয়ালাদের ওয়ার্ডপ্রেস রিকমেন্ড করার প্রধান কারণ SEO। ওয়ার্ডপ্রেসে কিছু জনপ্রিয় প্লাগইন ব্যাবহার করেই এসইওতে ১০০% স্কোর আনা সম্ভব। কিন্তু ব্লগারে আপনি সেটা কিভাবে করবেন? শুধুমাত্র ওয়েবপেজ বা ওয়েবসাইটটি এসইও মেনে তৈরি করলেই হবে না। আপনার থিমটিকেও এসইওর নিয়ম-কানুন মেনে তৈরি হতে হবে।

এরকম থিম আপনি কোথায় পাবেন? টাকা দিয়ে কেনা ছাড়া পাবেন না। টাকা দিয়ে কিনলেও পারফরম্যান্সও যে ঠিকই থাকবে সে ব্যাপারে কোনো গ্যারান্টি নাই। আমি ২০০রও বেশী থিম ইন্সটল করে দেখেছি পাইনি। প্রত্যেকটাতে কোনো না কোনো সমস্যা ছিলো।

অনেক জনপ্রিয় এবং বেশি বিক্রি হওয়া ব্লগার থিমগুলোরও ওভারঅল পারফরম্যান্স অনেক বাজে। এই অবস্থায় আপনি কি এ্যাডসেন্স পাবেন না? অবশ্যই পাবেন। কিছু ইউনিক টপিকের উপর লেখার কারণে হয়তো Rank ও করবেন কিন্তু অধিকাংশ কিওয়ার্ড এর ক্ষেত্রে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটগুলোর থেকে পিছিয়ে পড়বেন। কম্পিটিশনে টিকতে পারবেন না। আমার কথায় হতাশ হওয়ার কিছুই নেই, বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অবশ্য কিছু সমাধানও দিবো, পড়তে থাকুন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে স্কিমা (Schema)। এটি বর্ণনা করার আগে গুগলের আচরণ সম্পর্কে একটু বলি। আপনি পোস্ট পাবলিশ করার সাথে সাথেই গুগল সেটা সার্চ রেজাল্টে দেখায় না। গুগল প্রথমে আপনার ওয়েবসাইটটি ক্রল(Crawl) করতে আসে। নতুন কোনো পেজ পেলে সেটা পড়ে দেখে। ইউনিক এবং গ্রহণযোগ্য, কপিরাইটমুক্ত এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইনডেক্স ( Index ) করে নেয়। এরপরেই সেটা সার্চ রেজাল্টে দেখায়। এখন ব্লগারে ইন্সট্যান্ট ইনডেক্সিং করতে পারবেন না। আপনার পোস্ট পাবলিশ করার ১৫-৩০ দিন পর হয়তো ইনডেক্স হবে কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেসে প্লাগইন ব্যাবহার করে সাথে সাথেই ইনডেক্স করা সম্ভব। এখানেই খাবেন বৃহৎ একটা বাঁশ। সমাধান কি? আপনাকে খুবই টেকনিক্যাল হতে হবে, এবং গুগল ক্লাউডের একটি ইনস্ট্যান্ট ইনডেক্সিং ফিচার আছে সেটি সেটআপ করে ব্যাবহার করতে হবে। ইউটিউবে এ ব্যাপারে ইংরেজি বা হিন্দি ভাষায় মানসম্মত টিউটোরিয়াল পাবেন।

এখন ধরে নিলাম গুগল আপনার ব্লগার ওয়েবসাইটটি ক্রল করে ইনডেক্স করার জন্য এলো। এখানে কোনো মানুষ আসবে না নিশ্চয়ই, আসবে গুগলবট নামে একটি রোবট। এই রোবট বুঝবে না কোনটা আর্টিকেল, কোনটা টাইটেল, কোনটা মেন্যু, কোনটা সাইডবার, কোনটা ডিসক্রিপশন, কোনটা ট্যাগ।

তাকে বুঝাতে গেলে কি করতে হবে? স্কিমা ব্যাবহার করতে হবে। স্কিমা হচ্ছে ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর সাথে যুক্ত একটি সংস্থা ( Schema.org ) যারা ওয়েবসাইটের ডিজাইনের ক্ষেত্রে কিছু রিকমেন্ডেড স্ট্রাকচার ডাটা প্রোভাইড করে থাকে। এই স্ট্রাকচারগুলো আপনার ওয়েবসাইটের ডাটাগুলোকে অর্গানাইজডভাবে ধারণ করে রাখে অর্থাৎ ওয়েবপেজের ভিন্ন ভিন্ন সেকশন এবং তথ্যকে কয়েকটি নির্দিষ্ট কোডিং স্ট্রাকচারের মধ্যে ধারণ করে রাখে যাতে গুগলবট এবং ব্রাউজার সেটিকে সহজে বুঝতে পারে।

কয়েকটি স্ট্রাকচার ডাটা বা স্কিমার উদাহরণ দিলাম…

১. Breadcrumbs: এই স্ট্রাকচারটিকে schema.org/breadcrumbs স্কিমার মধ্যে ধারণ করা হয়। এটি মূলত আপনার ওয়েবসাইটের মেন্যু এবং ক্যাটাগরিগুলোকে একটি স্ট্রাকচারের মধ্যে ধারণ করে।

২. News Article, Blog Article, Recipe : এই স্কিমাগুলো আপনার আর্টিকেলটি নিউজ, ব্লগ আর্টিকেল বা খাবারের রেসিপি (এছাড়াও আরো ভিন্ন ভিন্ন ধরনের আর্টিকেল হতে পারে সেগুলোর জন্য আলাদা স্কিমাও রয়েছে) এগুলোকে নির্দিষ্ট স্ট্রাকচারে ধারণ করে। পাশাপাশি অথর কে?, তার প্রোফাইল কি? ইত্যাদিও ধারণ করে। গুগল বুঝতে পারে যে আপনার আর্টিকেলটি কোনো নিউজ বা ব্লগ বা খাবারের রেসিপি কি না। এবং সেই অনুযায়ী সার্চ রেজাল্টে দেখায়।

৩. Discussion Forum : এটি schema.org/Creative Work স্কিমার আন্ডারে পড়ে। আপনার আর্টিকেলের নিচে মানুষের কমেন্টগুলোকেও গুগল ইনডেক্স করে ফেলে, কিন্তু এই স্কিমাটি না থাকলে কমেন্টগুলো ইনডেক্স হবে না। কমেন্ট ইনডেক্স হলে গুগল বুঝতে পারবে এই আর্টিকেলটিতে পাবলিক ইন্ট্র্যাকশন বেশি তার মানে গুরুত্বপূর্ণ বেশি তাই সেটা সার্চ রেজাল্টে রিকমেন্ডও বেশী করবে।

এরকম আরো স্কিমা রয়েছে, sidebar, FAQ, Header, FooterElement ইত্যাদি। এগুলোও নির্দিষ্ট কাজের জন্য নিয়োজিত।

এখন কথা হচ্ছে এই স্কিমাগুলো থাকে কোথায়? এগুলো থাকে আপনার ওয়েবসাইটের কোডিং এর ভিতরে। আপনি চাইলে স্কিমার নামগুলো লিখে আপনার কোডের মধ্যে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন আছে কিনা। অধিকাংশ লেটেস্ট থিমগুলোতে এগুলো থাকে। কিন্তু যদি না থাকে তাহলে সময় এসেছে আপনার থিমটিকে পরিবর্তন করার।

কয়েকটি স্কিমা বাইরে থেকেও কপি করে ভিতরে পেস্ট করা যায়, সেটাও আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী। এবং স্কিমাগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা বা স্ট্রাকচার অনুযায়ী ইনডেক্স করছে কিনা যাচাই করতে Google Search Console টুলের মধ্যে চেক করে দেখতে পারেন।

এখন আগের প্রশ্নে ফিরে আসি…ব্লগারে ব্লগিং করে কি তাহলে বর্তমানে সফল হওয়া সম্ভব? আমার উত্তর হলো অবশ্যই সম্ভব। কিন্তু এরজন্য আপনাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে। অবশ্যই এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট জানতে হবে। কারণ পারফেক্ট থিম বলে ব্লগারে তো আপনি কিচ্ছু পাবেন না, আপনাকেই কাস্টমাইজ করে এবং বিভিন্ন ইস্যু সল্ভ করে পারফেক্ট বানিয়ে নিতে হবে। এবং এসইওর যাবতীয় নিয়ম-কানুন মেনে আর্টিকেল লিখতে হবে। ম্যানুয়ালি বাইরে থেকে ইমেজকে .webp ফরম্যাটে কনভার্ট করে আপলোড করতে হবে যাতে পারফরম্যান্স আর লোডিং স্পিড বাড়ে। যেটা ওয়ার্ডপ্রেসে এক ক্লিকেই করা যায়।

অর্থাৎ এখানে ঝামেলা আপনাকে নিতেই হবে, অনেককিছুই ম্যনুয়ালি করতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেসের লেটেস্ট গাইডগুলো সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে এবং সেটাকে বিকল্পভাবে ব্লগারে কিভাবে ইম্প্লিমেন্ট করা যায় সেই উপায় খুঁজে বের করতে হবে।

এগুলো হলো প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য, যেগুলো সম্পর্কে জেনে রাখা অবশ্যই দরকার। নয়তো ব্লগারে সফলতা কোনোদিন সম্ভব নয়। যারা জানেন তারা এখনো ব্লগার সাইটকে ঠিকই জনপ্রিয়ভাবে ধরে রেখেছেন। অর্ডিনারি আইটি, ব্লগার বাংলাদেশের মতো ব্লগার ওয়েবসাইট এখনও মাসে লাখ টাকা কামাচ্ছে। অবশ্যই তারা এই ফিল্ডে অনেক এক্সপার্ট হয়ে উঠেছে, মনে রাখবেন ব্লগিং জগতে আপনাকে সবসময়ই এক্সপার্টদের সাথে কম্পিটিশন করতে হবে, সে আপনি ব্লগার হোক বা ওয়ার্ডপ্রেস যে প্ল্যাটফর্মেই ব্লগিং করুন।

আজকের এই আর্টিকেলটি কিন্তু আমার অভিজ্ঞতার ৫% মাত্র। আমিও ব্লগারেই ব্লগিং করছি‌। ব্লগারে ব্লগিং করার ব্যাপারে আরো অভিজ্ঞতা রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে ক্রমাগত লিখি এবং লিখবো আমার সাইটে। আপনি চাইলে ভিজিট করে পড়ে দেখতে পারেন…


Experience Shared By

Rahat Hasan

His Personal Blog : BestNicheForU.Com



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *