নিয়ে নিন FliFlik রিয়েল টাইম Voice Changer তিন মাসের জন্য একদম ফ্রিতে।


আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা কি অবস্থা আপনাদের সবার?

আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন ।

আমরা সবাই অনলাইনে অনেক সময় ব্যয় করি, গেমিং এর ক্ষেত্রে অনলাইন মিটিংয়ে।

তো আমরা সবাই প্রায় প্রায় কিন্তু একটা কথা চিন্তা করি যে, আমরা যদি আমাদের ভয়েসটাকে একটু চেঞ্জ করে মজা করতে পারি তাহলে একটু ভালো হতো।

আর আমরা হয়তোবা প্রায় দেখে থাকি অনেকে নিজের ভয়েস চেঞ্জ করে আপনার সাথে মজা করতেছে।

আপনি হয়তো সেই সময় চিন্তা করেন যে সেটা কিভাবে করতেছে।

আর যদি জেনেও থাকেন তাহলে আপনি হয়তোবা জানেন,

এই ভয়েস চেঞ্জিং যে সফটওয়্যার গুলো আছে সেগুলো প্রিমিয়াম।

এর মানে আপনাকে ক্রয় করে তার সম্পূর্ণ মজা উপভোগ করতে হবে।

তবে আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের সাথে এমন একটি ভয়েস চেঞ্জিং সফটওয়্যার শেয়ার করতে যাচ্ছি।

যার অফিশিয়াল লাইসেন্স আপনারা ফ্রিতে তিন মাসের জন্য পেয়ে যাবেন।

তো চলুন কথা বাড়াবো না ডাইরেক্ট প্রসেসের মধ্যে চলে যাই। কিভাবে আমরা ফ্রিতে লাইসেন্সটি নিব।

এজন্য আপনাকে সবার প্রথমে নিচের লিংকে ক্লিক করতে হবেঃ

Giveaway লিংক: https://fliflik.com/voice-changer/

লিংকটি ওপেন করলে আপনি উপরের মতো একটি পেজে চলে আসবেন।

বক্সের মধ্যে ইমেইল বসিয়ে গেট লাইসেন্সে ক্লিক করলেই আপনার ইমেইলের মধ্যে তারা লাইসেন্স পাঠিয়ে দেবে।

এবার ফ্রি ডাউনলোড বাটনের মধ্যে ক্লিক করে, সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নেবেন।

তবে মনে রাখবেন উইন্ডোজ এবং ম্যাক এর জন্য আলাদা আলাদা অপশন দেওয়া আছে। আপনি আপনার অপারেটিং সিস্টেম অনুযায়ী সিলেক্ট করে নেবেন।

ডাউনলোড হওয়ার পরে আপনাকে সেটা ইন্সটল করতে হবে, ইন্সটল আমরা সবাই কমবেশি করতে পারি তাই আমি আর এটা পোষ্টের মধ্যে দেখালাম না।

এই ভয়েস চেঞ্জিং সফটওয়্যার টি ব্যবহার করে আপনি নিচের স্ক্রিনশটে দেওয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোর বাইরে ও অনেক প্লাটফর্মে নিজের ভয়েস চেঞ্জ করতে পারবেন।

ভয়েস চেঞ্জিং সফটও

টল করার পরে এটা দেখতে কিছুটা এরকম লাগে।

ইন্সটল হয়ে গেলে আপনি সবার নিচে গিয়ে ইনপুট এবং আউটপুট সেটিং এ আপনার মাইক্রোফোন সেট করে নিবেন।

ওকে তো আশা করি এতোটুকু তো আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

এবার আসি অনেকে চেষ্টা করে মেইল টু ফিমেল ভয়েস চেঞ্জিং করতে।

আপনারা চাইলে এই সফটওয়্যার দিয়ে এটাও করতে পারবেন।

খেয়াল করুন ডান পাশে সেটিং দেওয়া আছে আপনারা আপনাদের ভয়েস অনুযায়ী যদি রোবোটিক ভয়েসটাকে ঠিক করতে চান তাহলে এই সেটিং ব্যবহার করে ঠিক করতে পারবেন।

তো আশা করি আপনারা এই ভয়েস চেঞ্জিং সফটওয়্যার এর সব কিছু বুঝে গেছেন।

আরও অনেক সেটিং রয়েছে আরও অনেক জিনিস রয়েছে,  এখানে যেগুলো হয়তো পোস্টে লিখে বুঝানো সম্ভব না।

তাই নিজে থেকে ইন্সটল করে পুরো সফটওয়্যারটিকে নিজেই যদি একবার ঘেঁটে দেখেন তাহলে আমি মনে করি সেটাই আপনার জন্য বেস্ট হবে।

তো এই ছিল আজকের পোস্ট আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে আর বেশি দিন নেই তাই খুব জলদি জলদি সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ফেলুন।

আর আমার টেলিগ্রাম চ্যানেলে জয়েন করতে ভুলবেন নাঃ টেলিগ্রাম



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *