গুগল এর নতুন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স “Lumiere”



টেক জায়ান্ট হিসেবে খ্যাত একটি প্রতিষ্ঠান গুগল।১৯৯৫ সালে ল্যারি পেজ ও সার্জে বিন এর হাত ধরে যাত্রা শুরু করেছিল google.

সার্চ ইঞ্জিন দিয়ে এর যাত্রা শুরু হলেও একে একে বের হয়েছে এটির নিত্যনতুন প্রোডাক্ট। জিমেইল, গুগল ম্যাপ,পিক্সেলের মতো সার্ভিস এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়।আজকের যুগে এসে আমরা google এর ব্যবহার ছাড়া একদিন‌ও চলতে পারি না।

Google drive,Google meet,Google doc এবং কি আমাদের ফোনের ব্রাউজার google chrome…লিস্টে গুগলের প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস বেড়েই চলেছে।

টেকনোলজির বর্তমান একটি হট টপিক হলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। দুনিয়া জুড়ে এআই এর যেন একটা অলিখিত প্রতিযোগী শুরু হয়েছে।chatgpt, মাইক্রোসফটের co-pilot ইত্যাদি ইত্যাদি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এসে পুরো দুনিয়াকে কাঁপিয়ে দিয়ে যাচ্ছে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর বদৌলতে এখন গতানুগতিক কাজের ধারার‌ও ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে।এআই এ যারা দক্ষ তাদের প্রোডাক্টিভিটির বিশাল পরিমাণ গ্রোথ দেখা যাচ্ছে। মানুষ নিজেদের মেধার পাশাপাশি ব্যবহার করছে ai.

আগামী দিনে নিঃসন্দেহে ai এর আরো বিশাল পরিমাণ উন্নতি ঘটবে।এই এআই এর যুগে গুগল এনেছে তাদের নতুন text to video ai যেটির নাম দেয়া হয়েছে lumiere.

গুগল এর নতুন এআই lumiere

সম্প্রতি গুগল এনাউন্স করেছে তাদের নতুন একটি text to video এআই। এর নামকরন করা হয়েছে Lumiere. এটি এখনো সাধারন মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি। এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর কয়েকটি চমকপ্রদ তথ্য ও ফিচার দেখে নেয়া যাক

•এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ট্রেইন করা হয়েছে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ভিডিও সেই সঙ্গে সেগুলোর caption দিয়ে।

•Lumiere প্রায় ৮০টি ফ্রেইম 16fps এ ভিডিওতে জেনারেট করতে পারে।

•এটি মূলত text to video জেনারেটর এআই।ইউজারার ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে prompt টাইপ করতে পারবে।

•এটির একটি অন্যতম ফিচার হলো photo to video generator. এই ফিচার দ্বারা ব্যবহারকারীরা স্টিল ছবিকে মোশন পিকচার এ কনভার্ট করতে পারবে।

•এটির রয়েছে video editing সুবিধা।এর দ্বারা ব্যবহারকারীরা তাদের ভিডিওতে নির্দিষ্ট prompt টাইপ করে নিজেদের ভিডিও এডিট করতে পারবে।এর মধ্যে ভিডিওতে যদি কোনো মডেল থাকে তাহলে তার কাপড়ের রং চেইন্জ করার মতো ফিচার আছে এখানে।

•ব্যবহারকারীরা এখানে style animation তৈরী করতে পারবে। অর্থাৎ ছবিতে দৌড়ানো,লাফানো ইত্যাদি অ্যানিমেশন ব্যবহার করা যাবে।

•এখানে cinemagraph তৈরী করা যাবে। cinemagraph অনেকটা steel image আর ভিডিও এর মিশ্রন বলা যায়। যেখানে ফ্রেমের একটি পার্ট স্থির রেখে বাকি অংশ রানিং দেখানো যায়।

•এটি কনটেন্ট ক্রিয়েশনের উপর জোর দিয়ে বানানো এআই।এটি দ্বারা মার্কেটিং ও ই-কমার্সের 3d ভিডিও তৈরির সুবিধা রয়েছে।

গুগল এখনো এটি পাবলিকভাবে রিলিজ করে নি।এটা এখনো ডেভেলোপমেন্ট পর্যায়ে আছে। আশা করা যায় অদূর ভবিষ্যতে এটি সবার জন্ম উন্মুক্ত হবে।দেখা যাক তাদের এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সাধারন মানুষজনদের কাছে কতটুকু সফল হয়।

আজ এ পর্যন্তই।



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *