ই-বর্জ্য : বাংলাদেশের পরিবেশের উপর প্রভাব!



আশা করি সবাই ভালোই আছেন!
আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।


ই-বর্জ্য কি:

ই-বর্জ্য হচ্ছে ইলেকট্রনিক বর্জ্য বা Electronic Waste.সহজ ভাষায় বলতে গেলে ইলেকট্রনিক পণ্য নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর সেসবের উচ্ছিষ্ট থেকে যে বর্জ্য বা ময়লা দ্রব্য অবশিষ্ট থাকে সেটাই ই-বর্জ্য।
যেমন: নষ্ট মোবাইল, টেলিভিশন, ফ্রিজ,এসি, রাইস কুকার,কম্পিউটার ইত্যাদির মাদারবোর্ড, আইসি,সার্কিট,বডি ইত্যাদি অংশগুলোই ই-বর্জ্য নামে খ্যাত।

এসব যন্ত্রাংশে থাকে: সোনা, রূপা সহ নানা দামী ধাতু।

বাংলাদেশে বছরের প্রায় ৩০ লাখ টন ই বর্জ্য উৎপন্ন হয়।

এক দশকে ইলেকট্রিক পণ্যের বাজার তিন গুণ বেড়ে এখন প্রায় ১১লাখ কোটি টাকার।এর মাঝে মোবাইল ফোনের বাজারই ৬৬ হাজার কোটি টাকা।



আর এসব ই-পন্যের ই বর্জ্য থেকে তৈরি হচ্ছে:
সীসা ও ক্যাডমিয়াম এর মতো ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থের।
যা আমাদের পরিবেশের জন্য খুবই ভয়ঙ্কর বার্তা।


শ্রম ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে ঢাকা জুড়ে কাজ করছে ১ লাখ বর্জ্য সংগ্রহকারী,এরা এসব বর্জ্য সংগ্রহ করলেও এসব বর্জ্যের মাত্র কয়েক শতাংশই প্রক্রিয়াকরণ করে রিসাইকেল করা সম্ভব হয়। আর বাকী সব বর্জ্য মাটি,পানি এ বায়ুর সাথে মিশে আমাদের পরিবেশ এ স্বাস্থ্যের ব্যাপক ভয়াবহ ক্ষতি স্বাধন করছে।
অন্যান্য উন্নত দেশের মতো আমাদের দেশে এসব পণ্য রিসাইকেল ও প্রক্রিয়াজাত করার কোনো বিশেষ উদ্যোগ না থাকার কারণে দিন দিন আমাদের পরিবেশ ঝুকির মধ্যে পড়ছে।
বিশেষ করে নগর অঞ্চল গুলো ঝুঁকি তালিকার শীর্ষে রয়েছে।



সুতরাং, আমাদের দেশের পরিবেশ রক্ষায় ও আমাদের নিজেদের নিরাপদ সুস্থ্য জীবন যাপনের জন্য ই-বর্জ্য নিষ্কাশন প্রক্রিয়া নিয়ে সচেষ্ট হওয়া উচিত।
নষ্ট ইলেকট্রনিক পন্য যত্র-তত্র না ফেলে যেখানে এসব রি-সাইকেল করা হয় এমন সার্ভিস সেন্টারে বিক্রি করে দেয়া যেতে পারে এতে দেশের অর্থনীতির উন্নতি হবে ও পরিবেশ রক্ষা পাবে।আমরা সচেতন হলে সবই সম্ভব।

ভূলত্রুটি ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখবেন।
আজকে এতো টুকুই।

আল্লাহ হাফিজ।


প্রয়োজনে যোগাযোগ:
Telegram



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *