আসুন জেনে নেই JPEG/PNG/GIF/BMP/TIFF ডিফারেন্ট এই ইমেজ টাইপগুলোর ব্যাপারে।


আসসালামুয়ালাইকুম কি অবস্থা আপনাদের সবার?

আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আপনার হয়তো জানেন যে আমাদের এই পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের ইমেজ ফরমেট রয়েছে।

কখনো কি চিন্তা করেছেন, প্রত্যেকটি ইমেজ ফরম্যাট কেন এক একটি থেকে আলাদা?

হয়তো প্রশ্ন জাগতেই পারে, আবার নাও জানতে পারে!

যাই হোক প্রত্যেকটা জিনিসের পিছনে কোন কোন উদ্দেশ্য থাকে।

পাশাপাশি তাদেরকে অ্যাডভান্টেজ এবং ডিসঅ্যাডভান্টেজ ও থাকে।

আজকের এই পোস্টে আমি সে সবকিছুই আপনাদের সামনে তুলে ধরব।

JPEG (Joint Photographic Experts Group):

JPEG এর পূর্ণরূপ হচ্ছে “Joint Photographic Experts Group” । JPEG  ইমেজ ফরম্যাটটিকে পৃথিবী জুড়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। এবং এই ফরমেটি হচ্ছে lossy image format । এর মানে এইটা যে আপনি যখন কোন ইমেজকে  JPEG  ফরমেটে কম্প্রেস করবেন, তখন সেই ইমেজটি তার কিছুটা কোয়ালিটি হারিয়ে ফেলবে। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন, JPEG  ফরমেট অন্য সব আনকম্প্রেসড ইমেজ এর তুলনায় অনেক ছোট হয়ে থাকে। এবং এই ফরমেট এর ইমেজ আপনি খুব সহজে অনলাইনে শেয়ার এবং কম্পিউটার মধ্যে স্টোর করার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। কারণ আকারে ছোট হওয়ায় এটি তুলনামূলক কম জায়গা খায়।

PNG (Portable Network Graphics):

PNG এর পূর্ণরূপ হচ্ছে “Portable Network Graphics” । PNG হচ্ছে  lossless image format। এর মানে এইটা যে আপনি যদি কখনো এই ইমেজ গুলোকে compress করেন, তারপরেও এর কোয়ালিটি নষ্ট হবে না। কিন্তু এই ইমেজ ফরমেটটি JPEG এর তুলনায় অনেক বড়।  PNG ইমেজ ফরমেটি ব্যবহার করা হয় এমন কিছু ইমেজের ক্ষেত্রে যে ইমেজ গুলো sharp এবং clear থাকা দরকার। যেমনঃ logo, screenshots এবং graphics।

GIF (Graphics Interchange Format):

GIF এমন এক ধরনের ইমেজ ফরম্যাট যা এনিমেশন সাপোর্ট করে। আর একটা জিনিস GIF ফরমেট এর ইমেজ এর মধ্যে শুধুমাত্র 256 টি কালার সাপোর্ট করে। যার ফলে এই ফরমেটের ইমেজ  less detailed মনে হয়ে থাকে অন্য ইমেজ ফরম্যাট গুলোর তুলনায়। যাইহোক GIF অনেক দরকারি একটি ফরমেট ছোট কোন অ্যানিমেশন তৈরি করার জন্য। এবং কোন ভিডিও থেকে ছোট একটি ক্লিপ ইমেজ আকারে পাঠানোর জন্য।

BMP (Bitmap):

BMP হচ্ছে lossless image format । এবং এই ইমেজ ফরমেটটি ব্যবহার করে থাকে Windows computers।  BMP ইমেজ গুলো compressed থাকেনা, তাই এগুলো সাইজও অনেক বড় হয়ে থাকে।BMP কখনোই শেয়ার করার জন্য বেটার অপশন না,  পাশাপাশি এগুলো আপনি কম্পিউটারের মধ্যেও স্টোর করলে আপনার অনেক জায়গায় চলে যাবে। তবে একটা কথা মনে রাখবেন এই ফরমেটের ইমেজ গুলোর অনেক ডিটেইলড হয়ে থাকে।

TIFF (Tagged Image File Format):

TIFF হচ্ছে versatile image format যা ব্যবহার হয়ে থাকে উভয়প্রকার  lossy এবং lossless compression এর ক্ষেত্রে। TIFF ফরমেটিকে ব্যবহার করা হয়  high-quality image স্টোর করার ক্ষেত্রে,  যেমন স্ক্যান করার ডকুমেন্ট আর ফটোগ্রাফস ।

PSD (Photoshop Document):

PSD হচ্ছে native file format , Adobe Photoshop এর। PSD এর মধ্যে store  থাকে layers, masks, এবং অন্যান্য editing information. PSD কে কখনোই ইমেজ শেয়ার কিংবা ইমেজ স্টোর করে রাখার জন্য বানানো হয়নি। তবে এটি খুবই দরকারী Photoshop এর মধ্যে কাজ করার জন্য।

AI (Adobe Illustrator Artwork):

AI হচ্ছে  native file format, Adobe Illustrator এর। AI ফরমেট store করতে পারে vector graphics, যেগুলোকে আপনি যে কোন সাইজে scale করতে পারবেন কোন প্রকার কোয়ালিটি না হারিয়ে। AI ফরমেট খুব ভালো একটি choice logos, icons, এবং অন্যান্য graphics এর কাজের ক্ষেত্রে।

WebP:

এটি একটি নতুন ইমেজ ফরমেট, যা  JPEG  এর তুলনায় আরো বেটার compression অফার করে থাকে। বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইটে এই ফরমেটটি ব্যবহার হয়ে থাকে। কারণ এটি সাইজে অনেক ছোট হয়ে থাকে। কিন্তু একটি কথা মনে রাখবেন সকল ব্রাউজার WebP সাপোর্ট নাও করতে পারে, কারণ এটি একদম একটি নতুন ফরমেট।

 

তো এই ছিল বেশ কিছু ইমেজ ফরমেটের ব্যাপারে পোস্ট। আশা করি আজকের পোস্ট থেকে আপনারা অনেক কিছু শিখতে পেরেছেন। দেখা হচ্ছে অন্য কোন পোস্টে ততক্ষণ পর্যন্ত বাই বাই।

আর আমার টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করতেও ভুলবেন নাঃ https://t.me/freepremiumtips24



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *